আর্চারির সাফল্যে সন্তুষ্টি জানালেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা
আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষ্যে প্রতি বছরের মতো এবারও নারীদের নিয়ে টুর্নামেন্ট আয়োজন করেছে বাংলাদেশ আর্চারি ফেডারেশন। মৌসুমী ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (কিউট) এর পৃষ্ঠপোষকতায় গাজীপুরের টঙ্গিস্থ আর্চারি ট্রেনিং সেন্টারে আজ (৮ মার্চ) দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়েছে কিউট আন্তর্জাতিক নারী দিবস আর্চারি টুর্নামেন্ট।
দেশের বিভিন্ন জেলা ক্রীড়া সংস্থা, বিকেএসপি, সার্ভিসেস সংস্থা ও ক্লাব মিলে মোট ১২টি দলের ৬৮ জন নারী আর্চার প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। মোট চারটি ইভেন্টে হয়েছে প্রতিযোগিতা। একটি স্বর্ণ, দুটি রৌপ্য ও দুটি ব্রোঞ্জ সহ মোট পাঁচটি পদক জিতে চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)।
বিমান বাহিনী একটি স্বর্ণ ও একটি রৌপ্যসহ মোট দুইটি পদক জিতে রানার্সআপ হয়েছে। রিকার্ভ প্রসপেক্ট ইভেন্টে স্পাইডার আর্চারি ক্লাবের ইসরাত জাহান তুলনা স্বর্ণ জিতেছেন।
রিকার্ভ বিগিনার্স ইভেন্টে বিকেএসপির জান্নাতুল নাইমা জিতেছেন স্বর্ণ। এছাড়া রিকার্ভ কমপেটিটিভ ইভেন্টে পুলিশ আর্চার ক্লাবের ইতি খাতুন এবং কম্পাউন্ড কমপেটিটিভ ইভেন্টে বিমান বাহিনীর বন্যা আক্তার স্বর্ণ জয় করেন।
টুর্নামেন্টের সমাপণী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী। আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম, বাংলাদেশ আর্চারি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী রাজীব উদ্দীন আহমেদ চপল ও কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মো. ফারুক ঢালী।
আন্তর্জাতিক নারী দিবসে এ প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য আর্চারি ফেডারেশনকে ধন্যবাদ জানান যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। ক্রীড়া উপদেষ্টা তার বক্তব্যে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আর্চারির সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। আর্চারি ফেডারেশনের কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন তিনি।
উপদেষ্টা বলেন, ‘যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রায় ৫৫ টি ফেডারেশন আছে। এর মধ্যে কিছু কিছু ফেডারেশন আমরা খুঁজে বের করেছি যারা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের সম্মান বয়ে এনেছে। তার মধ্যে আর্চারি ফেডারেশন অন্যতম। আর্চারিতে পুরুষদের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নারীদের সমানতালে এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টাকে আরো সুন্দরভাবে সামনে তুলে ধরে। এজন্য আমি আর্চারি ফেডারেশনকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানাতে চাই। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশের নারী আর্চাররা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশকে যে অর্জন এনে দিয়েছেন, সে জন্য নারী আর্চারদের অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানাই। আর্চারিসহ অন্যান্য খেলায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যাদের ভালো সুযোগ রয়েছে, সম্ভাবনা রয়েছে, সে সব খেলাকে আমরা বিশেষভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে বাজেটসহ অন্যান্য বিষয়ে এসব ফেডারেশনগুলোকে আমরা সহযোগিতা করব।’